বিভাগের আর্কাইভঃ কমিউনিটি

ঢাকার রাস্তায় করে প্রস্রাব আর বিদেশী পত্রিকায় হয় সংবাদ

Arbi

পি.আর.প্ল্যাসিড, ”এখানে প্রস্রাব করিবেন না, করিলে আইনত দন্ডনীয় অপরাধ”। এটাকেই মাঝখানের কমা (,) তুলে একটু আগে দাড়ি (।) কমা (,) বসিয়ে দিয়েছে কে বা কারা, কে তার খবর রাখে? তবে যেই করেছে এমন কাজটি তার বুদ্ধির প্রশংসা করতে হয়। তার বুদ্ধির কারণেই যে বিষয়টি একসময় সংবাদ হয়েছে। গুরুত্ব পেয়েছে বিখ্যাত কৌতুক অভিনেতা হানিফ সংকেতের ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদিতেও। পরবর্তীতে দাড়ি (।) কমা (,)-র স্থান পরিবর্তনের ফলে বিষয়টি যা দাঁড়িয়েছে তা হচ্ছে, ”এখানে প্রস্রাব করিবেন, না করিলে আইনত দন্ডনীয় অপরাধ”। Placid pix১৯৮২/৮৩-র কথা। ঢাকাতে তখন আমি সাইকেল চালিয়ে কলেজে আসা যাওয়া করি বা চলা ফেরা করি। এখন আমরা ঢাকার যে রূপ দেখছি, তখন কিন্তু আজকের এই ঢাকার চেহারা ছিল না। মন চাইলেই রাস্তার যে কোন এক দিকে আশে পাশের দেওয়াল ঘেসে দাঁড়িয়ে প্রকৃতির কাজ সারা যেতো। একজনের দেখাদেখি পরবর্তীতে সেখানে অনেকেই কাজটি করলে এমনিতেই পরিবেশ নষ্ট হয়ে যেত। তখনতো আজকের মতন সামাজিক কোন সাইট ছিল না। যে কারণে এতটা আলোড়ন সৃষ্টি হয়নি ঢাকা শহরের এই বিষয়টি নিয়ে। তবে তখন বিটিভির মত সরকারী চ্যানেলে ইত্যাদির মতন আনন্দ দানকারী অনুষ্ঠানে জনগনকে সচেতন করতে এমন বিষয়ের গুরুত্ব পেয়েছিল তাতেই বোঝা গিয়েছিল শহরের একটা অংশ এ বিষয়টির জন্য ছিল অতিষ্ঠ আর অন্য পক্ষ ছিল নিরুপায়। তখনও কিন্তু ঢাকাবাসী চাইতো এ থেকে মুক্তি পেতে। দীর্ঘ বিশ পচিশ বছর পরেও সেই একই বিষয় নিউজ হয় দেশে এবং দেশের বাইরে। রীতি মতন আলোচনার ঝড় উঠেছে আমাদের সকলের পরিচিত সামাজিক সাইট ফেইসবুকেও যত্রতত্র এই প্রস্রাব করা না করা নিয়ে।

আমি যখনকার কথা বলছি, তখন আমাদের ঢাকা শহর এতটা উন্নত ছিল না। উন্নয়নশীল দেশের রাজধানী ছিল অনুন্নত। আর এখনতো এই ঢাকা শহর হয়ে গেছে দ্রুত গতিতে উন্নয়ন শীল দেশের আধুনিক রাজধানী। এখন আমি মনে করি, আগামী দশ বছর পর এই ঢাকা শহরে মানুষ আসবে বেড়াতে বাইরের দেশ থেকেও, এবং তা মালোয়েশিয়া নেপালের মতন করেই।
কোন ছুটির দিন গুলিতে সাধারণত ঢাকার বেইলী রোড, ঢাকা বিশ্ববিদালয় এলাকা, চন্দ্রিমা উদ্যান এবং অধুনা নির্মিত হাতির ঝিল গেলেই বোঝা যায় নগর বাসীর একটু বিনোদোনের যে কতটা জায়গার অভাব। যাও ঢাকা শহরকে কিছুটা হলেও আধুনিকায়ন করা হচ্ছে তার পাশাপাশি জন সেবার কথাটি মাথায় রেখে পাবলিক টয়লেটের কোন ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে মনে হয় না এমনকি পরিকল্পনার মধ্যেও রাখা হয়েছে বলে মনে হয় না।
আজকাল ঢাকা যাওয়া পরে খুব বেশী। ঢাকায় চলাফেরা করতে গেলে দেখা যায় সেখানে কত শত যে অনিয়ম আর অব্যবস্থা, বলে আর শেষ করা যাবে না। তবে বর্তমান সরকার স্বল্প সময়ে এর সমাধান করতে না পারলেও যে উদ্যোগ নিয়েছে আগামীতে যে কোন সরকার তার শেষ করতে পারলেই ঢাকা বাসী স্বস্থির নিঃশ্বাস ছাড়তে পারবে বলে আমার বিশ্বাস। খেয়াল করলে দেখা যাবে, এখন আগের চেয়ে ঢাকার যেখানে সেখানে প্রস্রাব করাটা অনেক কমেছে। বিষয়টির জন্য সংশ্লিষ্টদের সাধুবাদ জানাতেই হয়।
কিন্তু বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই এর বিকল্প কোন ব্যবস্থা না থাকায় পথচারীদের যে কি পরিমান দুর্ভোগ পোহাতে হয় সেটা তো আর গাড়ীতে চড়ে যারা নগরকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার পরিকল্পনায় ব্যস্তা তারা টের পাবেন না। ঢাকার অলিগলির অন্য কোন বিষয় না বলে কেবল প্রশ্রাবের কথাই বলছি। এখনো মনে করি পথচারীদের সেবার কথা চিন্তা করে পরিস্কার রাস্তা দেখার আগে পথচারীদের সেবার কথা মাথায় রেখে জনবহুল এই ঢাকা শহরে আরো বেশী পাবলিক টয়লেট নির্মান করলে এমনিতেই লোকজন নির্ধারিত জায়গা খুঁজে গিয়ে প্রকৃতির কাজটি সাচ্ছন্দে সারবে।
বিশ পচিশ বছর আগে বিষয়টি দৃষ্টি কটু ছিল বলেই ইত্যাদি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নগরবাসীদের সচেতন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এত গুলো বছর পরেও দেখা যাচ্ছে এটা বন্ধের জন্য বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে। আমিও চাই জনগনকে সচেতন করার মাধ্যমে এটা বন্ধ করা হোক। কিন্তু তার আগে বিকল্প ব্যবস্থা না করে বন্ধ করলে চলবে না। বরং এটা আরো বেশী করে ছড়িয়ে যাবে এতে কোন ভুল নেই।
সম্প্রতি ঢাকা উত্তর দক্ষিণ দুই সীমার নগর পিতা নির্বাচন করা হয়েছে অতি ইয়াং মেধা সম্পন্ন ও বিচক্ষণ দুইজনকে। আমার আবেদন তারা দুইজন যেন এই বিষয়ে বিশেষ ভাবে নজর দেন এই বিষয়টির উপর।
ঢাকা শহরে এই যত্রটত্র প্রস্রাব করা বন্ধ করার জন্য অভিনব এক পদ্ধতি গ্রহন করার উদ্দেশ্যে কয়েক মিনিটের একটি প্রমো ভিডিও চোখে পড়ল ফেইসবুকের মাধ্যমে। প্রথম ততটা মন দিয়ে দেখার ইচ্ছা হয়নি কারণ আরবী লেখা দেখে। বিষয়টি কেন জানি দেখার আগেই মাথায় লেগেছে আমার। নিজে নিজেই গুংরাচ্ছিলাম আর দেখছিলাম। অনিচ্ছা থাকা সত্বেও পুরো ভিডিওটা চোখের সামনে চলতে চলতে শেষ হলো। ভিডিওটা দেখার পর একটা কথাই খুব বেশী মনে হয়েছে, তা হলো, আসলেই কতিপয় বুদ্ধিমান (?) লোক দেশের সহজ সরল আর নিরক্ষর ধর্মপ্রাণ মানুষকে কতটা সহজে যে বোকা বানাতে পছন্দ করেন, সেটার প্রমাণ এই ভিডিও।
একবার টোকিওর এক শহরে আমরা বিভিন্ন দেশের লোকজন একত্রিত হয়ে বেশ মজা করছিলাম। সেখানে জাপানীজ ইরানী, ইন্দোনেশিয়ান, ইজিপ্সিয়ান, টার্কিশ, তিউনিশিয়ান পাকিস্তানী সহ আরো বেশ কয়েক দেশের লোক ছিল। এক ইরানী তার দেশের একটি পত্রিকা হাতে করে নিয়ে এসেছিল পড়তে পড়তে। নদীর ধারে বসে তার পত্রিকা পড়া শেষে তার এক পাশে রেখে বার্বেকিউর সবটুকু আনন্দ করতে শুরু করে দিল। এমন সময় জাপানীজ ছাত্র ছাত্রীদের কয়েকজন ওর পত্রিকাটি নিয়ে বিছিয়ে কেবল তার উপর বসলো, এতে করে সেখানে যে পাকিস্তানী আর এক বাংলাদেশী ছেলে কি যে কান্ড ঘটালো, সে বলার আর অপেক্ষ রাখে না।
পৃথিবীতে যতটা জানি মুসলমান ধর্ম বিশ্বাসী জন সংখ্যার দিক দিয়ে পঞ্চম স্থানের অধিকারী। তাদের বিশ্বাসের পুরোটাই দখল করে আছে, পবিত্র ধর্ম গ্রন্থ রচনা করা হয়েছে আরবী ভাষায়। সুতরাং এই ভাষাকে কোন প্রকারে অবহেলা করা যাবে না।
মে ৯, ২০১৫ শনিবার, জাপানের একটি ইংরেজী দৈনিক পত্রিকার কাটিং টোকওিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা পোষ্ট করেছেন ফেইসবুকে তার টাইম লাইনে। সেখানে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরের যত্রতত্র প্রস্রাব করা বন্ধ করার নতুন কৌশল ছাপা হয়েছে।
সংবাদটিতে একটি ছবিও ছাপা রয়েছে, যেখানে আরবী ভাষায় কিছু একটা লিখে তার নীচে তীর চিহ্ন দিয়ে দুইটি পৃথক লাইনে লেখা, (বাম দিকে তীর চিহ্ন দিয়ে) ২০০ গজ সামনে মসজিদ আর (ডান দিকে তীর চিহ্ন দিয়ে) ১০০ গজ সামনে পাবলিক টয়লেট। পত্রিকার কাটিংয়ের সংবাদের সাথে ছাপা ছবি দেখে ভিডিওর কথা মনে পড়ল। ভিডিওতে একটি লোককে রাস্তার ধারে ওয়াল ঘেষে প্রস্রাব করতে গিয়ে সেকানে প্রস্রাব না করে যে ভাবে হাত কপালে নিয়ে সালাম করে ফিরে গেলো, সেটার মাধ্যমে লোকটি সেখানে কি সম্মান করার ইংগীত করেছে, জানি না। লোকটির সেই সম্মান করা কি ছিল ভাষাকে না কি ধর্মকে?
বাংলাদেশের সহজ সরল আর ধর্ম ভীরু মানুষদেরকে আরবী ভাষার মাধ্যমে ধর্মের ভয় দেখিয়ে যে ভাবে প্রস্রাব করা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করা হয়েছে এতে আমার মনে হয় মানুষকে সর্বপ্রথম অক্ষর জ্ঞান দেওয়া দরকার। তারপর সেটা যেই ভাষাতেই হোক, যে কোন স্থানে লিখলে আপত্তি থাকার কথা নয়। আমাদের দেশে আজকাল বিভিন্ন দেশের পর্যটকদের সংখ্যা বাড়ছে বলে শুনি। বাংলাদেশে কোন দেশের পর্যটক যদি বেশী হয় তাহলে তাদের রাস্তা ঘাট বোঝার সুবিধার্থে পর্যটকদের নিজেদের দেশের নিজস্ব ভাষা ব্যবহার করলে করতেও পারে। এতে আমাদের বাংলা ভাষার অবমাননা হবার কথা না।
প্রমোর সেই ভিডিওতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যে বিষয়টিকে প্রাধাণ্য দিতে চেয়েছেন বলে মনে হলো, সেটা নেহায়েৎ ধর্মকে পূঁজি করার মানসিকতাই পরিলক্ষিত হয়েছে। কিন্তু এ নিয়ে আমার মনে একটি প্রশ্ন জেগেছে, উদ্দেশ্য যদি কর্তপক্ষের প্রস্রাব করা বন্ধই হতো, তাহলে অবশ্যই শেষ লাইনটিই যথেষ্ট ছিল। **(ডান দিকে তীর চিহ্ন দিয়ে) ১০০ গজ সামনে পাবলিক টয়লেট।**
যেখানে পথচারী প্রস্রাব করতে আসবে সেখানেই কেন মসজিদের লোকেশন লিখে জানাতে হবে? এই জন্যই মনে হয় কেউ এটাকে নিউজ করার মতন গুরুত্ব দিয়ে পাঠিয়েছেন বিদেশী পত্রিকাতে। আর সেটি ছাপা হয়েছে জাপানের দি ডেইলী জাপান টাইমস এর মতন পত্রিকাতে।
বিষয়টি এমন কোন বিষয় না যে নিউজ হবে তাও আবার বিদেশী পত্রিকাতে। এখানে নিউজ গুরুত্ব পেয়েছে আরবী ভাষাকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষকে বেশী ধর্মপ্রাণ ও বোকা বানানোর মত কৌশল অবলম্বন করার কারণে। বাংলাদেশে অনেক ভালো কাজ হচ্ছে সেটার খবর আমরা জাপান প্রবাসীরা জাপানের কোন পত্রিকাতে দেখতে পাই না। পাই যত সব মন্দ কাজের খবর। অনেক কথা বলা যায়, লেখা যায় না। ভাষাটি যদি উর্দু হতো তাতে হয়তো কিছু সংখ্যক লোক খুশী হতেন। কিন্তু আমাদের দেশে আরবীর ব্যবহার কেন? তাও আবার প্রস্রাব স্থল নির্দেশনার জন্য?

কানাগাওয়া কেনে বৈশাখী পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

3

ইয়োকাহামা থেকে কাওসার ইসলাম লাইজু, 

জাপানের পোর্ট সিটি ইয়োকো হামা শহরে বসবাসরত বাংলাদেশীদের দ্বারা গঠিত সংগঠন, বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটি, জাপান গত ৪ মে ২০১৫ সোমবার কানাগাওয়া প্রিফেকচারের আৎস্যুগি শহরে মাৎস্যুআই মিনামী কুমিন 2কান (হল)-এ বৈশাখ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন টোকিওস্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মিঃ মাসুদ বিন মোমেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাওসার হাসান লাইজু। দুপুর দুইটার সময় শুরু হয় আলোচনা সভা এরপর দুপুরের খাবার। খাবার শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। বক্তব্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখের বিবেকবার্তা ডট ইনফোর উপদেষ্টা তাজউদ্দিন মাহমুদ রবি চৌধুরী, সালেহ মাহমুদ আরীফ, মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সংগঠনের উপদেষ্টা ইলিয়াছ মুন্সি, মোবারক হোসেন রিদয় প্রমূখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথিকে ফুল দিয়ে বরণ করেন মোঃ ফারুক হোসেন, সভার সভাপতিত্ব করেণ সংগঠনের সভাপতি এনামূক হক বাবু।শুরুতেই সম্প্রতি নেপালে ভয়াবহ ভূমিকম্পের ফলে নিহতদের আত্মার শান্তির জন্য দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরব5তা পালন করা হয়। অনুষ্টানে স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের কর্মকর্তা বৃন্দের উপস্থিতির কারণে কোন রাজনৈতিক আলোচনা না করার অনুরোধ করা হলে সকলেই তাদের সুন্দর ও সাবলীল সংক্ষিপ্ত পরিচ্ছন্ন বক্তব্য দিয়ে অনুষ্ঠানকে স্বার্থক করতে সহযোগিতা করেন। অনুষ্ঠানে ছেলে মেয়ে সহ প্রায় দেড়শ’ লোকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। রাষ্ট্রদূত অনুষ্ঠানে আয়োজকদের ধন্যবাদ এবং টোকিওর বাইরেও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিকে ধরে রাখার এমন আয়োজনের জন্য আয়োজকদের প্রশংসা করেন। সম্ভব হলে আগামীতে পিঠা উৎসবেরও আয়োজন করার কথা বলেন তিনি। সব শেষে জাপানের পরিচিত নৃত্য শিল্পি বাবলী ইসলাম কলি নৃত্য পরিবেশন করে সকলকে বেশ আনন্দ দেয়।

1

6

4

সহযোগিতায় আলম সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রাজু, শিকলু, হাসান, বিপুল, শামীম, আবুল প্রমূখ৤

অনুষ্ঠানে জাপান প্রবাসী লেখক-সাংবাদি পি.আর. প্ল্যাসিড তার সম্প্রতি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত একুশের বই মেলায় প্রকাশিত বই বিপরী ভালোবাসা,একপলকে ও নিশিগুচি পার্ক বই তিনটির প্রদর্শণ ও বিক্রি করেন।

alll

টোকিওতে আওয়ামী লীগ জাপান শাখার ঈদ পুনর্মীলনী অুষ্ঠান

news

বিবেকবার্তা ডেস্কঃ ৩রা আগষ্ট রবিবার ২০১৪,সন্ধ্যার সময়, টোকিওর আছাকুছাবাসী স্টেশন সংলগ্ন এক ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্টে আওয়ামী লীগ জাপান শাখা ঈদ পুনর্মীলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন news2সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম মাসুম। জাপান শাখা আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্যদের উপস্থিতে উক্ত অনুষ্ঠানে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করে বক্তব্য রাখেন পৃষ্ঠপোষক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মিঃ সাকুরা সাবের ও বিবেকবার্তার উপদেষ্ঠা তাজউদ্দিন মাহমুদ রবি চৌধুরী।new3 এ উপলক্ষে নৈশ ভোজেরও আয়োজন করা হয়। ডিনার শেষে সংগঠনের কার্য্যকরী পরিষদের সদস্যবৃন্দ সংগঠনের আগামী দিনের কার্য্যক্রম ও দূতাবাসে ১৫ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস পালন নিয়ে আলোচনা করা হয়।

——–
ছবিঃ থাইও প্ল্যাসিড।

টোকিওতে বাংলাদেশী মিডিয়ার লোকদের ব্যস্ততা

Press

পি.আর.প্ল্যাসিড (জাপান),
আর মাত্র কয়েক ঘন্টা পরেই জাপান সরকারের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপানের আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হানেদাতে এসে পৌছবেন। তার আগেই টোকিও এসে পৌচেছেন বাংলাদেশের বিভিন্ন ইলেক্ট্রোনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা। তারা টোকিওর বাংলাদেশী বিভিন্ন কমিউনিটির সাথে যোগাযোগ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করছেন ইতিমধ্যে।
আজ চব্বিশ তারিখ শনিবার দুপুর বারটার সময় টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে গিয়ে দেখা যায় রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎকার সংগ্রহ করছেন সাংবাদিকরা। সাক্ষাৎকার গ্রহণ পর্ব শেষে মিডিয়ার লোকজন তাদের ধারণকৃত সাক্ষাৎকার দেশে তাদের নিজস্ব মিডিয়াতে পাঠানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে পরেছে। এরপর তারা সবাই কমিউনিটির লোকজনের সাথে কথা বলে জাপানের বাংগালী কমিউনিটির বর্তমান অবস্থা এবং বাংলাদেশ সরকার প্রধানের জাপান সফর ও সফরের সম্ভাব্য সফলতা ও ব্যর্থতা নিয়ে কথা বলছেন।
দূতাবাতে থাকা অবস্থায় পাওয়া সংবাদ, আরো বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের রিপোর্টার এসে পৌছবেন টোকিও শহরে আজ রাতের মধ্যে।

সকল জল্পনা-কল্পনা শেষ, প্রধানমন্ত্রীর পাশে বসবেন মাসুদ

news-01

পি.আর.প্ল্যাসিড, (টোকিও)
বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপান সফরকে কেন্দ্র করে হঠাৎ করেই টোকিওতে আওয়ামী লীগ ঘরোনার বাংলাদেশী প্রবাসীদের মধ্যে শুরু হয়েছিল এক প্রকার উত্তেজনা। ২৫ থেকে ২৮শে মে পর্যন্ত তিন দিনের এক সরকারী সফর শেষে ২৮ মে প্রধানমন্ত্রী জাপান ত্যাগ করার কথা। তার আগে সরকারী অনুষ্ঠান সূচীর বাইরে বাংলাদেশী প্রবাসী নাগরীকদের সাথে সাক্ষাতের একটি কর্মসূচী যোগ করার কথা ঘোষণা করা হলে প্রধানমন্ত্রীকে একটি সুন্দর ও সফল নাগরীক সংবর্ধনা জ্ঞাপনের মাধ্যমে বিদায় দেবার পরিকল্পনা করা হয়। এসময় জাপান শাখা আওয়ামী লীগের বিভাজিত দু’টি গ্র“প অনেকটা প্রতিদ্বন্দীতায় মেতে উঠে “কে করবে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব” এ নিয়ে।
newsগণর্সবর্ধনা অনুষ্ঠানে কে করবে সভাপতিত্ব এ নিয়ে দূতাবাসের ভিতরে এবং বাইরে কয়েক দফা আলোচানা হয় বিগত দিন গুলোতে। আলোচনায় কোন মীমাংসা করতে না পেরে অনেকটা উত্তেজনা কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় উভয় পক্ষের আলোচনায় “তাল গাছ আমার” এর মত সিদ্ধন্তের জন্য। এ নিয়ে অনেকে অনেক কথা বললেও একটি পক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সম্মতিতে অনুষ্ঠানের জন্য আগেই একটি গ্র“পকে না জানিয়ে হল ভাড়া করে ফেললে সৃষ্টি হয় নতুন বিতর্ক। সব কিছুর পর গত ২০মে মংগলবার রাতে দূতাবাসে উভয় পক্ষের সম্মিলিত আলোচনা সভায় এই সভাপতিত্ব করার মত গুরু দ্বায়ীত্বর মীমাংসা করা হয় লটারীর মাধ্যমে।
লটারীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেতা মাসুদুর রহমানকে মাসুদকে সভাপতিত্ব করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়ে বিজ্ঞ রাজনীতিবীদ তাজউদ্দিন মাহমুদ রবি চৌধুরী (বিবেকবার্তা ডট কম এর উপদেষ্টা) কে বক্তা করে অনুষ্ঠান সফল করতে প্রস্তাবিত আওয়ামী লীগ জাপান শাখার উভয় গ্র“পের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক সামছুল আলম ভূট্টো, সালেহ মাহমুদ আরীফ, মাজহারুল ইসলাম মাসুম, খন্দকার আসলাম হীরাকে  আহব্বায়ক ও যুগ্ম আহব্বায়ক করা হয় । অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে হোটেল ওকুরাতে, ২৮মে সন্ধ্যা ছয় ঘটিকার সময়।

জাপানের কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শেকৃবি শিক্ষক প্রতিনিধি দল

Pix

রাজধানী  ঢাকার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) এর তিনজনের একটি শিক্ষক প্রতিনিধি দল জাপানের কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন কৃষিতত্ত¦ বিভাগের অধ্যাপক ড. তুহিন শুভ্র, উদ্যানতত্ত¦ বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ড. এ. এফ. এম জামাল উদ্দিন ও একই বিভাগের সহকারি অধ্যাপক এ এইচ এম সোলায়মান। প্রতিনিধি দলটি গত ২২ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত অব¯হান করে উচ্চ শিক্ষায় অব¯হানরত শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণার খোঁজ-খবর নেন এবং জাপানের এ গবেষণালদ্ধ ফলাফলকে দেশের উন্নয়নে কিভাবে কাজে লাগানো যায় সে বিষয়ে পরামর্শ দেন। উল্লেখ্য জাপানের কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী  উচ্চ শিক্ষার জন্য অব¯হান করছে। প্রতিনিধি দলটি কাগাওয়া ছাড়া ও জাপানের টোকিও, গিফু এবং কাগুশিমা পরিদর্শন করবেন।

ছবি: শেকৃবি শিক্ষক প্রতিনিধি দলকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানাচ্ছেন কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

টোকিওতে অনুষ্ঠিত হয়েছে সরস্বতি পূজা

F05C9602-B0A7-4376-989A-4BC716BCEE1D

বিবেকবার্তা ডেস্ক,
গত ৮ ফেব্রুয়ারী রবিবার ২০১৪, টোকিওতে হিন্দু সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উদসব স্বরসতী পূঁজা অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি ছিল আলোচনা, মধ্যাহ্ন ভোজ, পূঁজা অর্চণা ও মিষ্টি মুখ। এই উদসবে জাপান প্রবাসী হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান ও মুসলমান সব ধর্মেও লোকদের উপস্থিতিতে হল ছল পূর্ণ। 969D672C-AECE-4F12-B225-CEB206C11ABAপ্রতি বছরের ন্যায় এই বছরেও পূঁজারীদের চেয়ে অন্য ধর্মের লোকদের উপস্থিতি বেশী হওয়ায় প্রমাণ হয়েছে বাংগালীরাও অসাম্প্রদায়ীক এবং এরা পৃথিবীর যে দেশেই যাক না কেন, ধর্মেও চেয়ে অসাম্প্রদায়ীক জাতি বোধকে বেশী গুরুত্ব দিয়ে ঔক্যবদ্ধ ও শান্তি পূর্ণ ভাবে যে কোন অনুষ্ঠানকে সুন্দর ও সফল করার জন্য সকলেই সমান প্রচেষ্টা চালায়।
উক্ত অনুষ্ঠানে জাপান এক মাত্র সফল সাংস্কৃতিক গোষ্ঠি উত্তরণ এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপহার দেয়।

বাংলাদেশের একজন একনিষ্ঠ বন্ধু প্রফেসর নারার মৃত্যুতে টোকিও দূতাবাসে শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

DSC_0335

বিবেকবার্তা ডেস্ক,

গত ৩রা জানুয়ারী ২০১৪ রবিবার, বিকাল তিনটার সময় টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে বাংলাদেশের একজন একনিষ্ঠ বন্ধু অধ্যাপক ৎসুয়োসি নারার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে এক শোক সভার আয়োজন করে। ডঃ জীবন রঞ্জন মজুমদারের পরিচালনায় বেশ ভাব গম্ভীর পরিবেশে এবং রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এর সভাপতিত্বে DSC_0302জাপান প্রবাসী বাংলাদেশী ও জাপানী নাগরীকদের উপস্থিতিতে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভার শুরুতে প্রয়াত ৎসুয়োশি নারার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা এবং প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামণা করে এক মিনিট নীড়বতা পালন করা হয়। এরপর প্রয়াত প্রফেসর নারার সাথে সংশ্লিষ্ট থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনকারী বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গDSC_0303 প্রফেসর নারার সাথে কাজ করার সময়কার স্মৃতি চারণ করে বক্তব্য রাখেন। বক্তারা হলেন প্রফেসর কওজি মিয়াজাওয়া, বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত মিঃ মাৎস্যুশিরো হরিগুচি, প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত মিঃ মাছাইউকি ইনোউয়ে, প্রফেসর হেইজি নাকামুরা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবী মিস শিউলী নাকা গাওয়া, মিঃ ওসামু হায়াকাওয়া, এনএইচকে DSC_0310(রেডিও) বাংলা বিভাগের প্রধান মিঃ কাজুহিরো ওয়াতানাবে, প্রফেসর কানা কিতাজাওয়া, প্রফেসর তমিয়ো মিজুকামী এবং বালাদেশ কমিউনিটির পক্ষ থেকে বিবেকবার্তা অনলাইন পত্রিকার উপদেষ্টা তাজউদ্দিন মাহমুদ রবি চৌধুরী, বংগবন্ধু পরিষদের সভাপতি শেখ এমদাদ, সামসুল আলম ভুট্টো, বিবেকবার্তা সম্পাদক পি.আর.প্ল্যাসিড, প্রথম আলো টোকিও প্রতিনিধি মঞ্জুরুল হক, ইঞ্জিনিয়ার আবদুর রহমান, মুন্সি কে আজাদ, এনএইচকে (রেডিও) বাংলা বিভাগে কর্মরত মোহাম্মদ রিফাৎ প্রমূখ।
উল্লেখ্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরুর প্রাক্কালে জাপানীদের মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষেDSC_0312 জনমত গঠনের জন্য যিনি প্রথম এগিয়ে আসেন তিনি ছিলেন এই মিঃ ৎস্যুয়োশি নারা। তিনি স্বাধীনতার পর বংগবন্ধু জাপান সফর কালে তাঁর দোভাষীর কাজ করেন। একই সাথে বংগবন্ধুর অনুরোধে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানীজ ভাষা বিভাগের ভিজিটিং প্রফেসর হিসাবে কাজ করেন।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার দ্বায়ীত্বভার গ্রহণ করলে, বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানকারী বিভিন্ন বিদেশীদের মধ্যে যাঁদেরকে স্বাধীনতার পদক দিয়ে রাষ্ট্রীয় ভাবে সম্মাণে ভূষিত করে, তাদের মধ্যে অধ্যাপক নারা ছিলেন একজন।
DSC_0316টোকিওতে প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা বিবেকবার্তার পক্ষ থেকেও তাঁর বাংলা ও বাংগালীদের জন্য কাজ করার স্বীকৃতি হিসাবে তাঁকে বিশেষ সম্মাণনা প্রদান করে।
স্বাধীনতা যুদ্ধের পর থেকে অর্থাৎ বাংলাদেশের জন্ম লগ্ন থেকে প্রফেসর নারার বিভিন্ন

DSC_0347

DSC_0335DSC_0323

জাপান শাখা আওয়ামী লীগের নববর্ষের গেট টুগেদার ও প্রতিবাদ সভা

IMG_5021

বিবেকবার্তা ডেস্ক, দেশে গণতন্ত্রের নামে জঙ্গীবাদের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংসের পায়তারা চলছে, এই চরম অস্থিতিশীল পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য জাপান শাখা আওয়ামী লীগ গত ৩রা জানুয়ারী টোকিওতে প্রতিবাদ ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। নববর্ষের দিন থেকে সরকার বিরোধী কর্মকান্ডকে দেশে সরব রেখে অর্থনীতিকে ধ্বংস করার এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে অবরোধ করে দেশবাসীর  জানমাল ধ্বংসের প্রতিবাদ ও জাপানে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসারীদের সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিঃ কিরণ চৌধুরীর নান রাইস রেস্টুরেন্টে জাপান শাখা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি সামছুল আলম ভুট্টুর সভাপতিত্বে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা তাজউদ্দিন মাহমুদ রবি চৌধুরী, প্রাক্তন সভাপতি কাজী মাহফুজুর হক লাল, সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম মাসুম প্রমূখ। দেশের বর্তমান সার্বিক অবস্থার কথা পর্যালোচনা করতে গিয়ে তাজউদ্দিন মাহমুদ রবি চৌধুরী বলেন, ৭১ এর সে মুক্তিযুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি। বাংলার মানুষের মুক্তির জন্য যে লড়াই সে লড়াই এখনো চলছে। মুক্তি যুদ্ধের চেতনাকে তার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছে দেয়ার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করার জন্য দলের সকল নেতা কর্মীদের প্রতি উদ্দত্ত আহব্বান জানান তিনি। প্রাক্তন সভাপতি কাজী মাহফুজ হক লালের বক্তব্যকে কাউন্টার দিয়ে বর্তমান প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি সামসূল আলম ভুট্টো বলেন, জাপানে আমরা আওয়ামী লীগকে কোন মদের আসরের সংগঠন করিনি। এছাড়া অন্যান্য বক্তারা নববর্ষের এই আয়োজনে এখন থেকে জাপানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমর্থিত সকলকে একটি মূল সংগঠনের অধীনে থেকে বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশ গ্রহনের অনুরোধ জানান। সম্প্রতি টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জামাত-বিএনপির সন্ত্রাসী মূলক ঘটনার সমালোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, যুবলীগ জাপান শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নূরুল আমিন রনি, টি এম নাহিদ, মীর হোসেন মিলন, নন্দী খোকন, পার্থ স্বারথী টবলু, ফকরুল ইসলাম লিটন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হিরু, ডঃ কবির, ডঃ রিপন, ছোটন, জসিম উদ্দিন, সেলিম, শাহীন, শুভ প্রমূখ।

ছবিঃ থাইও, প্লাসিড

টোকিওতে ১৮দলের কর্মসূচী বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে

IMG_4948

বিবেকবাকার্তা ডেস্ক,
গত ২৯শে ডিসেম্বর ২০১৩ রবিবার, জাপানে বসবাসকারী বাংলাদেশীদের মধ্যে বাংলাদেশ সরকার বিরোধী একটি গ্র“প টোকিওতে মার্চ ফর ডেমোক্রেসি-র সমর্থনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে রবিবার জাপানে সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকার পরেও দূতাবাসের সামনে এই বিক্ষোভ প্রদর্শনের আয়োজন করেছে ১৮দলের সমর্থক নেতা কর্মীরা।
বিকাল পৌনে তিনটার সময় শুরু করে শোয়া তিনটার সময় শেষ করা হয় এই বিক্ষোভ। এতে সরকার বিরোধী বিভিন্ন শ্লোগান ও বক্তব্য প্রদান করেন ইসলামী মিশন জাপান এর সভাপতি মেজবাউল করিম, টোকিও শাখার সভাপতি শিমুল খান, জাপান শাখা বিএনপির  একটি গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা ও অন্যান্য। বক্তাগণ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনার সরকারের সমালোচনা করে অতীত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে অচিরেই তত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত সরকার দিয়ে দেশ পরিচালনার ব্যবস্থা করতে বলেন। এসময় অনেকের হাতে ছিল বিভিন্ন ছবি সংবলিত প্লে-কার্ড।
পুলিশ ও গোয়েন্দা সদস্যদের দ্বারা বেষ্টিত এই বিক্ষোভ পরিচালনা করেন মিঠু।