বিভাগের আর্কাইভঃ কমিউনিটি

Pix

জাপানের কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শেকৃবি শিক্ষক প্রতিনিধি দল

রাজধানী  ঢাকার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) এর তিনজনের একটি শিক্ষক প্রতিনিধি দল জাপানের কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন কৃষিতত্ত¦ বিভাগের অধ্যাপক ড. তুহিন শুভ্র, উদ্যানতত্ত¦ বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ড. এ. এফ. এম জামাল উদ্দিন ও একই বিভাগের সহকারি অধ্যাপক এ এইচ এম সোলায়মান। প্রতিনিধি দলটি গত ২২ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত অব¯হান করে উচ্চ শিক্ষায় অব¯হানরত শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণার খোঁজ-খবর নেন এবং জাপানের এ গবেষণালদ্ধ ফলাফলকে দেশের উন্নয়নে কিভাবে কাজে লাগানো যায় সে বিষয়ে পরামর্শ দেন। উল্লেখ্য জাপানের কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী  উচ্চ শিক্ষার জন্য অব¯হান করছে। প্রতিনিধি দলটি কাগাওয়া ছাড়া ও জাপানের টোকিও, গিফু এবং কাগুশিমা পরিদর্শন করবেন।

ছবি: শেকৃবি শিক্ষক প্রতিনিধি দলকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানাচ্ছেন কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

F05C9602-B0A7-4376-989A-4BC716BCEE1D

টোকিওতে অনুষ্ঠিত হয়েছে সরস্বতি পূজা

বিবেকবার্তা ডেস্ক,
গত ৮ ফেব্রুয়ারী রবিবার ২০১৪, টোকিওতে হিন্দু সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উদসব স্বরসতী পূঁজা অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি ছিল আলোচনা, মধ্যাহ্ন ভোজ, পূঁজা অর্চণা ও মিষ্টি মুখ। এই উদসবে জাপান প্রবাসী হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান ও মুসলমান সব ধর্মেও লোকদের উপস্থিতিতে হল ছল পূর্ণ। 969D672C-AECE-4F12-B225-CEB206C11ABAপ্রতি বছরের ন্যায় এই বছরেও পূঁজারীদের চেয়ে অন্য ধর্মের লোকদের উপস্থিতি বেশী হওয়ায় প্রমাণ হয়েছে বাংগালীরাও অসাম্প্রদায়ীক এবং এরা পৃথিবীর যে দেশেই যাক না কেন, ধর্মেও চেয়ে অসাম্প্রদায়ীক জাতি বোধকে বেশী গুরুত্ব দিয়ে ঔক্যবদ্ধ ও শান্তি পূর্ণ ভাবে যে কোন অনুষ্ঠানকে সুন্দর ও সফল করার জন্য সকলেই সমান প্রচেষ্টা চালায়।
উক্ত অনুষ্ঠানে জাপান এক মাত্র সফল সাংস্কৃতিক গোষ্ঠি উত্তরণ এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপহার দেয়।

DSC_0335

বাংলাদেশের একজন একনিষ্ঠ বন্ধু প্রফেসর নারার মৃত্যুতে টোকিও দূতাবাসে শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

বিবেকবার্তা ডেস্ক,

গত ৩রা জানুয়ারী ২০১৪ রবিবার, বিকাল তিনটার সময় টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে বাংলাদেশের একজন একনিষ্ঠ বন্ধু অধ্যাপক ৎসুয়োসি নারার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে এক শোক সভার আয়োজন করে। ডঃ জীবন রঞ্জন মজুমদারের পরিচালনায় বেশ ভাব গম্ভীর পরিবেশে এবং রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এর সভাপতিত্বে DSC_0302জাপান প্রবাসী বাংলাদেশী ও জাপানী নাগরীকদের উপস্থিতিতে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভার শুরুতে প্রয়াত ৎসুয়োশি নারার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা এবং প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামণা করে এক মিনিট নীড়বতা পালন করা হয়। এরপর প্রয়াত প্রফেসর নারার সাথে সংশ্লিষ্ট থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনকারী বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গDSC_0303 প্রফেসর নারার সাথে কাজ করার সময়কার স্মৃতি চারণ করে বক্তব্য রাখেন। বক্তারা হলেন প্রফেসর কওজি মিয়াজাওয়া, বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত মিঃ মাৎস্যুশিরো হরিগুচি, প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত মিঃ মাছাইউকি ইনোউয়ে, প্রফেসর হেইজি নাকামুরা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবী মিস শিউলী নাকা গাওয়া, মিঃ ওসামু হায়াকাওয়া, এনএইচকে DSC_0310(রেডিও) বাংলা বিভাগের প্রধান মিঃ কাজুহিরো ওয়াতানাবে, প্রফেসর কানা কিতাজাওয়া, প্রফেসর তমিয়ো মিজুকামী এবং বালাদেশ কমিউনিটির পক্ষ থেকে বিবেকবার্তা অনলাইন পত্রিকার উপদেষ্টা তাজউদ্দিন মাহমুদ রবি চৌধুরী, বংগবন্ধু পরিষদের সভাপতি শেখ এমদাদ, সামসুল আলম ভুট্টো, বিবেকবার্তা সম্পাদক পি.আর.প্ল্যাসিড, প্রথম আলো টোকিও প্রতিনিধি মঞ্জুরুল হক, ইঞ্জিনিয়ার আবদুর রহমান, মুন্সি কে আজাদ, এনএইচকে (রেডিও) বাংলা বিভাগে কর্মরত মোহাম্মদ রিফাৎ প্রমূখ।
উল্লেখ্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরুর প্রাক্কালে জাপানীদের মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষেDSC_0312 জনমত গঠনের জন্য যিনি প্রথম এগিয়ে আসেন তিনি ছিলেন এই মিঃ ৎস্যুয়োশি নারা। তিনি স্বাধীনতার পর বংগবন্ধু জাপান সফর কালে তাঁর দোভাষীর কাজ করেন। একই সাথে বংগবন্ধুর অনুরোধে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানীজ ভাষা বিভাগের ভিজিটিং প্রফেসর হিসাবে কাজ করেন।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার দ্বায়ীত্বভার গ্রহণ করলে, বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানকারী বিভিন্ন বিদেশীদের মধ্যে যাঁদেরকে স্বাধীনতার পদক দিয়ে রাষ্ট্রীয় ভাবে সম্মাণে ভূষিত করে, তাদের মধ্যে অধ্যাপক নারা ছিলেন একজন।
DSC_0316টোকিওতে প্রথম অনলাইন বাংলা পত্রিকা বিবেকবার্তার পক্ষ থেকেও তাঁর বাংলা ও বাংগালীদের জন্য কাজ করার স্বীকৃতি হিসাবে তাঁকে বিশেষ সম্মাণনা প্রদান করে।
স্বাধীনতা যুদ্ধের পর থেকে অর্থাৎ বাংলাদেশের জন্ম লগ্ন থেকে প্রফেসর নারার বিভিন্ন

DSC_0347

DSC_0335DSC_0323

IMG_5021

জাপান শাখা আওয়ামী লীগের নববর্ষের গেট টুগেদার ও প্রতিবাদ সভা

বিবেকবার্তা ডেস্ক, দেশে গণতন্ত্রের নামে জঙ্গীবাদের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংসের পায়তারা চলছে, এই চরম অস্থিতিশীল পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য জাপান শাখা আওয়ামী লীগ গত ৩রা জানুয়ারী টোকিওতে প্রতিবাদ ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। নববর্ষের দিন থেকে সরকার বিরোধী কর্মকান্ডকে দেশে সরব রেখে অর্থনীতিকে ধ্বংস করার এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে অবরোধ করে দেশবাসীর  জানমাল ধ্বংসের প্রতিবাদ ও জাপানে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসারীদের সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিঃ কিরণ চৌধুরীর নান রাইস রেস্টুরেন্টে জাপান শাখা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি সামছুল আলম ভুট্টুর সভাপতিত্বে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা তাজউদ্দিন মাহমুদ রবি চৌধুরী, প্রাক্তন সভাপতি কাজী মাহফুজুর হক লাল, সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম মাসুম প্রমূখ। দেশের বর্তমান সার্বিক অবস্থার কথা পর্যালোচনা করতে গিয়ে তাজউদ্দিন মাহমুদ রবি চৌধুরী বলেন, ৭১ এর সে মুক্তিযুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি। বাংলার মানুষের মুক্তির জন্য যে লড়াই সে লড়াই এখনো চলছে। মুক্তি যুদ্ধের চেতনাকে তার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছে দেয়ার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করার জন্য দলের সকল নেতা কর্মীদের প্রতি উদ্দত্ত আহব্বান জানান তিনি। প্রাক্তন সভাপতি কাজী মাহফুজ হক লালের বক্তব্যকে কাউন্টার দিয়ে বর্তমান প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি সামসূল আলম ভুট্টো বলেন, জাপানে আমরা আওয়ামী লীগকে কোন মদের আসরের সংগঠন করিনি। এছাড়া অন্যান্য বক্তারা নববর্ষের এই আয়োজনে এখন থেকে জাপানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমর্থিত সকলকে একটি মূল সংগঠনের অধীনে থেকে বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশ গ্রহনের অনুরোধ জানান। সম্প্রতি টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জামাত-বিএনপির সন্ত্রাসী মূলক ঘটনার সমালোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, যুবলীগ জাপান শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নূরুল আমিন রনি, টি এম নাহিদ, মীর হোসেন মিলন, নন্দী খোকন, পার্থ স্বারথী টবলু, ফকরুল ইসলাম লিটন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হিরু, ডঃ কবির, ডঃ রিপন, ছোটন, জসিম উদ্দিন, সেলিম, শাহীন, শুভ প্রমূখ।

ছবিঃ থাইও, প্লাসিড

IMG_4948

টোকিওতে ১৮দলের কর্মসূচী বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে

বিবেকবাকার্তা ডেস্ক,
গত ২৯শে ডিসেম্বর ২০১৩ রবিবার, জাপানে বসবাসকারী বাংলাদেশীদের মধ্যে বাংলাদেশ সরকার বিরোধী একটি গ্র“প টোকিওতে মার্চ ফর ডেমোক্রেসি-র সমর্থনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে রবিবার জাপানে সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকার পরেও দূতাবাসের সামনে এই বিক্ষোভ প্রদর্শনের আয়োজন করেছে ১৮দলের সমর্থক নেতা কর্মীরা।
বিকাল পৌনে তিনটার সময় শুরু করে শোয়া তিনটার সময় শেষ করা হয় এই বিক্ষোভ। এতে সরকার বিরোধী বিভিন্ন শ্লোগান ও বক্তব্য প্রদান করেন ইসলামী মিশন জাপান এর সভাপতি মেজবাউল করিম, টোকিও শাখার সভাপতি শিমুল খান, জাপান শাখা বিএনপির  একটি গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা ও অন্যান্য। বক্তাগণ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনার সরকারের সমালোচনা করে অতীত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে অচিরেই তত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত সরকার দিয়ে দেশ পরিচালনার ব্যবস্থা করতে বলেন। এসময় অনেকের হাতে ছিল বিভিন্ন ছবি সংবলিত প্লে-কার্ড।
পুলিশ ও গোয়েন্দা সদস্যদের দ্বারা বেষ্টিত এই বিক্ষোভ পরিচালনা করেন মিঠু।

ছবি- থাইও, প্লাসিডের ক্যামেরায় নেওয়া।

টোকিওতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বিবেকবার্তা ডেস্ক, গত বাইশে (২২) ডিসেম্বর রবিবার টোকিস্থ , জাপান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে জাপানে বসবাসকারী দের একটি গ্রুপ “সেভ হিউমেনিটি ইন বাংলাদেশ, জাপান” এই ব্যানারে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। সকাল নয়টা থেকে দুপুর বারটা পর্যন্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে বাংলাদেশীদের সেই গ্রুপটি তাদের হাতে বিভিন্ন প্লাকার্ড, ব্যানার নিয়ে অবস্থান করে। এসব প্লাকার্ডে সম্প্রতি ফাঁসি দেয়া জামায়েত-ই-ইসলামির নেতা আব্দুল কাদের মোল্লার ছবি সহ বিভিন্ন কথা বাংলা, ইংরেজী এবং জাপানীজ ভাষায় লেখা ছিল। এসময় তারা বর্তমান সরকার এবং ভারতের বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয়। নকাল নয়টা থেকে বারটা পর্যন্ত সেখানে অবস্থানের অনুমতি স্থানীয় পুলিশ বিভাগ দিলেও মূল অনুষ্ঠান শুরু হয় সকাল প্রায় সাড়ে দশটায় এবং শেষ করা হয় সাড়ে এগারোটার সময়। রবিবার জাপানে সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকার কারণে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কোন স্মারকলিপি বা লিখিত কোন প্রতিবাদ বাংলাদেশী সেই গ্রুপটি দিতে পারে নি। লিখিত কোন কিছু মন্ত্রণালয়ে দিতে না পারলেও ফাইলে করে দেশের বর্তমান অবস্থার কিছু ঘটনার ছবি এবং তথ্য পুলিশের সদস্যদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এছাড়াও সেখানে তাদের কয়েকজন নেতা বাংলাদেশ সরকার ও ভারত বিরোধী বক্তব্য প্রদান করে পুলিশ বিভাগের মাধ্যমে জাপানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বাংলাদেশে এইসব ঘটনা অচিরেই বন্ধ করার জন্য সরকারকে অনুরোধ জানানোর আহব্বান করেন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যারা বক্তব্য রাখেন তারা হলেন মঈনুর রহমান, আতিকুর রহমান, আবদুল মোমেন, সিরাজুল হক, হাফেজ মাওলানা সাবের আহমেদ, সোহাগ সিদ্দিকি, মোঃ জসিম উদ্দিন, সিকদার সাগর, মোবারক হোসাইন হৃদয়, হাফেজ আলাউদ্দিন, মেজবাউল করিম প্রমূখ। সব শেষে সংগঠনের সভাপতি আবদুল মালেক সমাপনী বক্তব্য রাখেন। বিক্ষোভ এই সমাবেশে বিএনপি জাপান শাখার একটি গ্রুপ উপস্থিত থেকে সরকার বিরোধী এই কর্মসূচীকে সমর্থন করে। বিক্ষোভে জাপান প্রবাসী কয়েকজন পাকিস্তাানীকেও অংশ গ্রহণ করতে দেখা যায়।

ছবি- থাইও, প্লাসিডের ক্যামেরায় নেওয়া।

IMG_4541

টোকিওতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪২ তম বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান

বিবেকবার্তা ডেস্ক, ১৬ ডিসেম্বর সোমবার টোকিওতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশের ৪২ তম বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান। দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত সরকারী এই অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির পিতা বংবন্ধু ও আমাদের এই বিজয় ছিনিয়ে আনার জন্য আত্মত্যাগকারী শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করার সময় উপস্থিতিদের কয়েকজনের কটুক্তির কারণে শুরু হয় বাক বিতন্ডা।
এসময় দূতাবাস কর্তা মাসুদ বিন মোমেনএর সুযোগ্য ও কৌশলী বক্তব্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলে আগের দিন বিজয় দিবস উপলক্ষে দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন-রানার্স আপদের সহ ভালো খেলোয়ারদের মধ্যে পুরুস্কার বিতরন করেন রাষ্ট্রদূত।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামাত-ই-ইসলাম, জাতীয় পার্টির নেতা ও সমর্থক ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। হল ভর্তী এই সুন্দর অনুষ্ঠানে বংগবন্ধুর ছবিতে আগুন দেবার কথা বলে বিভিন্ন কটুক্তি ও একজন আরেকজনকে রাজাকার বলাতে পরিস্থিতি আবার চরম পর্যায় চলে আসে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে আসার সম্ভাবনা দেখে ভিতরে পুলিশের লোক চলে আসে। এসময় আবারো রাষ্ঠ্রদূত কঠিন ভাষায় বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। অবস্থা আরো খারাপ পর্যায়ে যাবার সম্ভাবনা দেখে কাউকে কোন বক্তব্য দিতে না দিয়ে অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব সেখানেই সমাপ্তী করা হয়।
শেষ দিকে রাতের খাবার পরিবেশন করার সময় একপক্ষ আরেক পক্ষকে তিরষ্কার মূলক কথা বলে টানা হেচরার মাধ্যমে এক পক্ষ হল রুম থেকে বেরিয়ে গেলেও আবার কিছুক্ষণ পর শান্ত হয়ে খাবার খেতে ভিতরে এসে সবার সাথে সৌহার্দ পূর্ণ ভাব বিনিময় করে খাবার শেষ করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি করা হয়।
উপস্থিত অনেকেই অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে বলেছেন, দীর্ঘদিন টোকিওতে বসবাস করে দূতাবাসে নিয়মিত জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠান গুলোতে আসলেও এবারের মত জঘন্য পরিস্থিতি আর কখনো দেখেন নি। অনুষ্ঠানের শুরু যেমনই হোক, শেষটা ছিল ভালো। এই ভালো-খারাপ ও উত্তেজিত পরিস্থিতিতে এবারে টোকিও দূতাবাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে আমাদের ৪২তম বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান।
সকালে দূতাবাসে অন্যান্যবারের মত ছিল সরকারী অনুষ্ঠান পতাকা উত্তোলন, মোনাজাত, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বানীপাঠ।
——-
ছবিঃ থাইও প্ল্যাসিড।

IMG_4455

উত্তরণের পচিশ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে

বিবেকবার্তা ডেস্ক, গত ৮ ডিসেম্বর ২০১৩ রবিবার টোকিওর খামিনাকাজাতো রেল স্টেশনের নিকটবর্ত একটি হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে জাপানে বাংলাদেশীদের একমাত্র সফল সাংস্কৃতিক সংগঠন উত্তরণ এর ২৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। অনুষ্ঠানে মান্যবর রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন সহ জাপানের বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ব্যবসায়ীক সংগঠনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানতে অধিক স্বার্থক করে তুলে।
হল ভর্তী দর্শক শ্র“তাদের অনেকেই উত্তরণের পঁচিশতম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর চমকপ্রদ অনুষ্ঠান দেখে মন্তব্য করেছেন, টোকিওতে এতটা ব্যস্ততার পরেও দেশের সাংস্কৃতি বিদেশের মাটিতে চর্চা করে চলেছে এই জন্য উত্তরণের সকল সদস্যই ধন্যবাদ পাবার যোগ্য। উত্তরণের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান দেখতে আসার জন্য আর কাউকে বলতে হয় না। টোকিওর বাংগালী কমিউনিটির লোক জন যেন অপেক্ষায় থাকে, কবে অনুষ্ঠিত হবে এই অনুষ্ঠান। কারণ প্রতি অনুষ্ঠানেই থাকে ব্যতিক্রমতা।
টোকিওতে মনোজ্ঞ এই প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ছিল নাচ, গান, অভিনয় সহ হাস্যরসে ভরা আরো কিছু ভিন্নতা। এতে অংশ নিয়েছেন, খন্দকার রতন, যেরম গমেজ, মান্না চৌধুরী, জাহিদ, বাচ্চু, মিঠু, ববিতা পোদ্দার, রুমি, নিজাম উদ্দিন, সঞ্জয় দত্ত, ছুটি প্রমূখ।
——
ছবিঃ
থাইও প্ল্যাসিড

1455152_10151969144497436_2099203331_n

টোকিওতে ৩রা নভেম্বর জেল হত্যা দিবস পালিত হয়েছে

বিবেকবার্তা ডেস্ক, গত ৩রা নভেম্বর ২০১৩, রবিবার টোকিওর আকাবানে ভিবিও হলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাপান শাখার উদ্যোগে জেল হত্যা দিবস উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষে আওয়ামী লীগ জাপান শাখার নেত্রীবৃন্দ এবং যুবলীগ ও অন্যান্য অংগ সংগঠনের নেতৃবুন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ কারণে সংগঠনের সভাপতি সামছুল আলম বর্তমানে জাপানের বাইরে থাকায় উক্ত সভার সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ জাপান শাখার সহ-সভাপতি মোঃ গোলাম কিবরিয়া।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম মাসুম এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার শুরুতে ১৯৭৫ সনের ৩রা নভেম্বর জেলে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত ও এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বক্তব্য রাখেন বংগবন্ধু পরিষদের সভাপতি শেখ এমদাদ, কাওছার হাসান লাইজু, সহিদুল ইসলাম, মিলন, নাছির, এ.কে.এম. ফারুকুল ইসলাম (লিটন), রেজাউল ইসলাম (ছোটন), জসিম উদ্দিন, নাছির উদ্দিন প্রমূখ।
বক্তাগন প্রত্যেকেই দেশে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের প্রশংসা করে সংসদের বিরুধী দলের অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ডের ফলে দেশকে পিছিয়ে দেওয়ার সমালোচনা করে, স্বাধীনতা বিরুধীদের সাথে ক্ষমতায় যাবার জন্য যে আচরন করছে তার নিন্দা জ্ঞাপন করেন।
জাপান শাখা আওয়ামী লীগ এর উপদেষ্টা তাজউদ্দিন মাহমুদ রবি চৌধুরী আলোচনা সভার প্রধান বক্তা হিসাবে সব শেষে ৩রা নভেম্বর জেল হত্যার বিষদ বর্ণনা করে খুনীদের সর্বোচ্চ বিচার দাবী করে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা সভা শেষে সামান্য খাবারের আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভার পরেই ভিন্ন ভাবে সাংগঠনিক কর্মকান্ড নিয়ে আলোচনা সভা করে। সভায়সর্ব সম্মতিক্রমে আগামী ১৬ই ডিসেম্বর দেশ থেকে কোন একজন কেন্দ্রীয় নেতাকে জাপান আমন্ত্রণ করে বিজয় দিবস উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Newspixmak

অভিবাসীদের স্বার্থ রক্ষার্থে বন্ড গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বিবেকবার্তা ডেস্ক : গত ২৮ শে জুলাই রোববার টোকিওর ইতাবাসী ওয়ার্ডস্থ নাকাইতাবাসী রেলষ্টেশনের কাছেই ফুজিমিনো চিইকি সেন্টারে বন্ড আয়োজিত ভিসা বিহীন ও খারিশোমেশোধারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে করণীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য এক সভার আয়োজন করা হয়। এবারের আলোচনা ছিল মূলতঃ ফিলিপিনো অভিবাসীদের জন্য। জাপানের বিভিন্ন জেলগুলোতে বিগত কয়েক বছরে ভিসা বিহীন বা অভিবাসীদের সংখ্যা বেড়ে প্রায় তিন হাজারে দাঁড়িয়েছে। (সূত্রঃ বন্ড) এদের এখন নিজেদের দেশে পাঠিয়ে দেবার পরিকল্পনায় ব্যস্ত ইমিগ্রেশন। বন্ডের এই সভায় একজন লিডার মিঃ মিয়াছাকী তার বক্তব্যে বলেন, জাপান একটি উন্নত দেশ। এই দেশে সকলের কাজ করার এবং থাকার অধিকার আছে। আমরা সকলের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা চাই জাপানে যে সব বিদেশী দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে এখানেই বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছে তাদের যেন বৈধভাবে থাকার অনুমোদন দেওয়া হয়। আমাদের চাওয়ার পাশাপাশি এই দেশে বসবাসরত ফিলিপিনোদেরকেও সচেতন হতে হবে। তাদেরকেও এগিয়ে আসতে হবে, তবেই আমাদের কাজ আমরা সফলভাবে করতে পারবো। সভায় নেতারা জানিয়েছেন, গত ৬জুলাই চাটার্ড বিনে করে ৭৫ জন অভিবাসী ফিলিপিনোকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়ায় আতংকে আছে সচেতন অভিবাসীরা। আগামীতে যেনো জাপান কর্তপক্ষ এমন আর না করতে পারে সেই বিষয়ে এখন থেকে সকলকে সংঘবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি না করতে পারে তার প্রতিবাদ করতে হবে। এজন্য সভায় উপস্থিত সকল ফিলিপিনোদের সংগঠিত হবার আহব্বান জানিয়ে বলেন, যার যার প্রাপ্য তাদের নিজেদের আদায় করে নিতে হবে। সভার একপর্যায় ফিলিপিনোদের নিজেদের মাঝে গ্রুপ ডিসকাশন করারও সুযোগ করে দেওয়া হয়। তারা তাদের নিজেদের মাঝে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করে বিভিন্ন সিদ্ধান্তে উপনিত হয়ে পরবর্তীতে তাদের দূতাবাসেসেসব আলোচনার কথা বলা হয়। সভা চলে দুপুর দেড়টা থেকে বিকাল শোয়া চারটা পর্যন্ত।